ক্রাইম ফোকাস বিডিঃ দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটে দরপতন হওয়ার পাশাপাশি সূচকগুলো দিনের প্রথম দিকের উত্থান ধরে রাখতে পারেনি। তবে বাছাই করা ৩০টি শেয়ারে ক্রেতার আগ্রহ থাকায় বেড়েছে ওই শেয়ারগুলোর সম্মিলিত সূচক। বাজারে বিক্রেতার তুলনায় ক্রেতাদের উপস্থিতিও ছিলো কম। একদিন আগেই দুই মাসের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড হওয়া বাজারে আজ দিনের ব্যবধানে প্রায় ১৭২ কোটি টাকা লেনদেন কমেছে। মূলত বিক্রয় আদেশের বিপরীতে ক্রয় আদেশ কম হওয়ায় বাজারে সার্বিকভাবে লেনদেনে ভাটা পড়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় লেনদেন শুরু হয় অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে। এই দরবৃদ্ধি বেশি সময় স্থির হয়নি। সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে ধীরে ধীরে অনেকগুলো সিকিউরিটিজ দরপতনের তালিকায় যুক্ত হতে থাকে। দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৮টির, বিপরীতে ১৯৯টির দর কমেছে। আর ৫৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটে দরপতন হওয়া সত্ত্বেও আজ ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৫ হাজার ২৯৯ পয়েন্টে অপরিবর্তিত রয়েছে। মূলত ডিএস ৩০ সূচকে থাকা বাছাই করা ৩০টি শেয়ারের প্রভাবে প্রধান মূল্যসূচকটিও এদিন পয়েন্ট হারানোর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
ডিএস৩০ সূচক এদিন ১০ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৫ পয়েন্টে উঠেছে। আর শরিয়াহ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসইএস ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।


















