আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ সত্ত্বেও ইরানের ড্রোনের যন্ত্রাংশ পেতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। রাশিয়া ইরানিদের এ মুহূর্তে কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে ড্রোনের উপকরণ দিচ্ছে।
হরমুজে মার্কিনিদের অবরোধ থাকলেও হচ্ছে না সমস্যা
কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে ইরানকে ড্রোনের যন্ত্রাংশ দিচ্ছে রাশিয়া

হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ সত্ত্বেও ইরানের ড্রোনের যন্ত্রাংশ পেতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। রাশিয়া ইরানিদের এ মুহূর্তে কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে ড্রোনের উপকরণ দিচ্ছে।
শনিবার (৯ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।
সংবাদমাধ্যমটিকে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় লেকটিকে গোপন ও প্রকাশ্য উভয় প্রকার বাণিজ্যের মাধ্যমে পরিণত করেছে রাশিয়া-ইরান।
আর এই কাস্পিয়ান সাগর ব্যবহারে ইরান আবারও নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
হরমুজে মার্কিনিদের অবরোধ থাকলেও হচ্ছে না সমস্যা
কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে ইরানকে ড্রোনের যন্ত্রাংশ দিচ্ছে রাশিয়া

হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ সত্ত্বেও ইরানের ড্রোনের যন্ত্রাংশ পেতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। রাশিয়া ইরানিদের এ মুহূর্তে কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে ড্রোনের উপকরণ দিচ্ছে।
শনিবার (৯ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।
সংবাদমাধ্যমটিকে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় লেকটিকে গোপন ও প্রকাশ্য উভয় প্রকার বাণিজ্যের মাধ্যমে পরিণত করেছে রাশিয়া-ইরান।
আর এই কাস্পিয়ান সাগর ব্যবহারে ইরান আবারও নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
অপর এক কর্মকর্তা বলেছেন, এখন যে হারে রাশিয়া থেকে ড্রোনের যন্ত্রাংশ আসছে, যদি এটি অব্যাহত থাকে তাহলে ইরান দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের ড্রোন সক্ষমতা আগের জায়গায় ফিরিয়ে নিতে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের টানা ৪০ দিনের যে যুদ্ধ হয়েছে সেখানে ইরানকে তাদের মোট ড্রোনের ৬০ শতাংশ ব্যবহার করতে হয়েছে।
ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে কোনো স্থল সীমান্ত নেই। তবে কাস্পিয়ান সাগর দুটি দেশকে এক করেছে।
কাস্পিয়ান হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ লেক। কিন্তু এটি এতই বড় যে এটিকে সাগর হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে। এই সাগরটির চারপাশ স্থল দিয়ে ঘেরা। অর্থাৎ কোনো মহাসাগরের সঙ্গে এটি মেলেনি।
কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে বাণিজ্য ও পণ্য আনা নেওয়া করলে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় পড়ারও কোনো শঙ্কা নেই।
















